পাথর ছুড়ে মৃত্যুদণ্ডের কারন ব্যাখ্যা করলো ব্রুনাই

সম্প্রতি সমকামিতাসহ কয়েকটি অপরাধে পাথর ছুড়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার মত কঠোর ইসলামিক আইন চালু করেছে ব্রুনাই। যার  জন্য তাদের নানা রকম সমালোচনার মধ্যে পড়তে হয়েছে। এবার সেই সমালেচনার মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ব্যখা দিয়েছে ব্রুনাইয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরিয়ান ইউসুফ জানিয়েছেন, “সাজার চেয়ে প্রতিরোধের বিষয়টি মাথায় রেখে এই আইন চালু হয়েছে।”

বিবিসি বলছে, গত ৩ এপ্রিল ব্রুনাইয়ের সুলতান সমকামিতা, বিবাহ বহিভূত যৌন সম্পর্ক এবং ধর্ষণের মত অপরাধের জন্য পাথর ছুড়ে হত্যা এবং একইসঙ্গে চুরির জন্য অঙ্গচ্ছেদের মত শাস্তি চালু করেন।

শাস্তির সিদ্ধান্ত কার্যকর করার পর ওইদিন জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে সুলতান ‘জোরালো’ ইসলামিক শিক্ষা প্রণয়নের কথা বলেন। এরপর থেকেই বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যেতে শুরু করে।

এ দণ্ডবিধিকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক বর্ণনা করে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিংসঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। জাতিসংঘ এই আইনকে ‘নিষ্ঠুর ও অমানবিক’ বলে মন্তব্য করেছে।

জতিংঘের ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এক বিবৃতিতে ব্রুনাইয়ৈর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শাস্তির চেয়ে প্রতিরোধের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এই আইনে। কাউকে সাজা দেওয়ার চেয়ে এসব অপরাধের জন্য শিক্ষা দেওয়া, নিবৃত্ত করা এবং পুনর্বাসন করাই এর লক্ষ্য।

print

LEAVE A REPLY