ঢাকায় উদ্বোধন করা হলো ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর ২.০’

দেশে প্রথমবারের মত ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর ২.০’ এর উদ্বোধন করেছে গ্রামণীফোন। সেই সাথে ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর ২.০’ প্রোগ্রামের জন্য দেশব্যাপী আবেদন গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে গ্রামীণফোন।

আজ বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রবৃদ্ধির লক্ষে সম্ভাব্য ব্যবসার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে বর্তমান সরকার সহায়তার দিক থেকে শতভাগ প্রতিশ্রতিবদ্ধ, যা সার্বিকভাবে জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। এক্ষেত্রে, স্টার্টআপগুলোর সহায়তায় জিপি অ্যাকসেলেরেটর প্ল্যাটফর্ম একটি অন্যন্য উদাহরণ। সকল অংশগ্রহণকারীদের প্রতি রইলো আমার শুভ কামনা।”

মূলত, জিপিএ২.০ হচ্ছে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বিনিয়োগকারী এবং ইকোসিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ স্টার্টআপগুলো এক হয়ে উদ্ভাবনী ধারণার বিচার-বিশ্লেষণ করে, সেগুলো যথাযথভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করে। বিশ্বখ্যাত পরামর্শকদের কাছ থেকে নির্বাচিত স্টার্টআপগুলো বাণিজ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে, ব্যবসায়িক পরিমাপকরণে এবং প্রবৃদ্ধি সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার পাশাপাশি জিপি হাউজে কার্যালয়, জিপি ডিষ্ট্রিবিউশন চ্যানেলে অন্তর্ভুক্তি এবং দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ধারণা উপস্থানের সুযোগ পাবে। ২০১৫ সালে ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর’ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৬টি স্টার্টআপের মধ্যে ১৯টি স্টার্টআপ তাদের সেবা ও পণ্য বাণিজ্যিকভাবে চালু করেছে।

আগামী ১৫ মে পর্যন্ত প্রি-অ্যাকসেলেরেটর রাউন্ডের জন্য আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও, আরো দক্ষ স্টার্টআপগুলো আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত সরাসরি অ্যাকসেলেরেটর প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারবে, যেখানে তারা প্রায় সাড়ে ৪ মাস দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে।

প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবক ও স্টার্টআপরা https://www.grameenphone.com/gp-accelerator-2.0- এ গিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রি-অ্যাকসেলেরেটর পর্যায়ে, নির্বাচিত ২৫টি  স্টার্টআপকে পণ্য গবেষণা, পণ্যের ডিজাইন বা নকশা, বৈধতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, ‘জিপি অ্যাকসেলেরেটর ২.০’ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের কাছে পৌঁছানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে গ্রামীণফোন। পাশাপাশি, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের ধারণাকে প্রি-অ্যাকসেলেরেটরের মাধ্যমে মিনিমাম ভায়াবল প্রডাক্টে রূপান্তরে সহায়তা করাও প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফোলি, ডেপুটি সিইও ও সিএমও ইয়াসির আজমান, হেড অব ডিজিটাল সোলায়মান আলম, কমিউনিকেশনসের ডিরেক্টর তালাত কামাল এবং প্রতিষ্ঠানটির হেড অব স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম মিনহাজ আনওয়ার ।

print

LEAVE A REPLY