বার্সার বিপক্ষে অবিশ্বাস্য জয়ে ফাইনালে লিভারপুল

কেবল জয় নয়, প্রয়োজন ছিল ইতিহাস সৃষ্টিকারী জয়। নিজেদের মাঠ অ্যানফিল্ডে আজ সেটিই করে দেখালো লিভারপুল। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বার্সেলোনাকে  ৪-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে অল রেডরা।

ফাইনাল খেলতে হলে করতে হবে ৪ গোল, সেই সাথে নিজেদের গোলপোস্টের রক্ষন দুর্গ থাকতে হবে অক্ষত, এমন কঠিন এ সমীকরণে খেলতে নামা লিভারপুল ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই  করতে থাকে একের পর এক আক্রমণ। অন্যদিকে, বার্সেলোনা ছিল ছন্নছাড়া। ফলাফল স্বরূপ আরও একবার নকআউট পর্বের অ্যাওয়ে ম্যাচে দিক হারালো মেসি-সুয়ারেসরা। আর অনেকেই যা ভাবেনি তাই করে দেখালো লিভারপুল।

লিভারপুলের স্বপ্ন যাত্রার শুরু সপ্তম মিনিটে। দলের হয়ে প্রথম বল জালে পাঠান বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড দিভোক ওরিগি। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৫৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভেইনালডাম। এর দুই মিনিট পর ব্যবধান ৩-০ তে এ পরিনত করেন ২৮ বছর বয়সী ভেইনালডাম। যার ফলে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-৩।

কোণঠাসা হয়ে পড়া বার্সেলোনা শিবিরে জেগে ওঠে আরও একবার প্রথম লেগে বড় ব্যবধানে জয়ের পরও ছিটকে পড়ার শঙ্কা।
৭৯তম মিনিটে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নদের শঙ্কাকে বাস্তবে পরিণত করে স্কোরলাইন ৪-০ করেন ওরিগি।

বাকি সময়ে জ্বলে উঠতে পারেনি বার্সেলোনা। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবে মেতে ওঠে অ্যানফিল্ড। আর বিষাদ ভোর করে বার্সা শিবিরে।

এই নিয়ে শেষ ছয় মৌসুমে নকআউট পর্বে অ্যাওয়ে ম্যাচে হারল বার্সেলোনা। গত পাঁচ মৌসুমে তারা রোমা, পিএসজি, ইউভেন্তুস, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরেছিল। সেই সাথে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শেষ চারের প্রথম লেগে তিন গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ফাইনালে ওঠার কীর্তি গড়লো লিভারপুল।

print

LEAVE A REPLY