সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন: সাড়ে ১৮ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ জন্য ১৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ঋণ ও অনুদান দিচ্ছে সংস্থাটি। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে অনুদান দিচ্ছে স্ট্র্যাটেজিক ক্লাইমেট ফান্ড।

চুক্তি অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের নতুন বাজার সম্প্রসারণে, দ্য স্কেলিং-আপ রিনিউঅ্যাবল এনার্জি প্রজেক্ট (এসআরইপি), ইউটিলিটি স্কেল সোলার পোটোভোলটাইক (পিভি) এবং ছাদে বা রুফটপ পিভির প্রতি দৃষ্টি দেয়া হবে। এ প্রকল্পে ফেনী জেলায় দেশের প্রথম বৃহৎ পরিসরের ৫০ মেগাওয়াটের গ্রিড-টাইড সোলার পিভি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করবে, যা বাস্তবায়ন করবে ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ (ইজিজিবি)।

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের অভাব পূরণে প্রকল্পটি রুফটপ এবং ইউটিলিটি-স্কেল ও সোলার পিভি উভয় ক্ষেত্রেই অর্থায়ন সুবিধা দিতে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডকে (ইডকল) একটি রিনিউঅ্যাবল এনার্জি ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি চালাতে সাহায্য করবে। এটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে বড় আকারের প্রকল্পের জন্য স্থান চিহ্নিত করতে এবং রুফটপ পিভির জন্য নতুন মিটারিং নীতি গ্রহণে উৎসাহিত করবে।

চুক্তি শেষে মনোয়ার আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এ প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া প্রকল্পটি প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণের কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়তা করবে, যা প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বাংলাদেশের নির্ধারিত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ড্যানড্যান চেন বলেন, এক দশক ধরে বিশ্বব্যাংক নবায়নযোগ্য শক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ প্রাপ্তি বাড়াতে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে। বর্তমানে বাংলাদেশের রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি যা দেশের প্রায় ১০ শতাংশ মানুষকে সেবা দিচ্ছে। আমরা এখন বৃহৎ পরিসরে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন কার্যক্রমের সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে আরেক ধাপ এগিয়ে সহায়তা করতে যাচ্ছি।

print

LEAVE A REPLY