মানুষ মানুষের জন্য: জরুরি সাহায্যের আবেদন

জরুরি সাহায্যের আবেদন
রোগীর নামঃ জবা বেগম
বয়সঃ ২৯ বছর
বর্তমানে রোগী ওসমানী মেডিকেল এর ICU এর ৭ নম্বর বেডে লাইফ সাপোর্টে আছে।
বাবার বাড়ীঃ দিগলবাগ,ডাক -শেওলা বাজার -থানা বিয়ানীবাজার।
মৃত কুটু চাঁনদের মেয়ে
রোগীর স্বামীঃ অলিম আহমদ গ্রাম:-পুটিজুরী পোস্টঅফিস: শায়বাগ, ইউনিয়ন-বারহাল,থানা-জকিগঞ্জ
রোগী জবা বেগমের মা।

জুলেকা বেগমের নাম্বার সাহায্য জন্য বিকাশ নাম্বার 01747-504118

জবা বেগম গর্ভবতী অবস্থায় তার শরীর একটু ফুলে যায় এবং সে কিছু খেলে বমি করতো সে জন্য তাকে ১২-০৯-১৯ তারিখে ওসমানি মেডিকেল নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে সিটনাই এবং বিভিন্ন কারনে রাকেব-রাবিয়া হসপিটালে নিয়ে ভর্তি করা হয় রাত ১:৩০মিনিটে। সকালে ডাক্তার রোগীর অবস্থা দেখে বলে সিজার করতে হবে নাহলে মা ও বাচ্চা বাঁচানো যাবেনা, রোগীর সাতে তাদের দুলাভাই বাচ্চু সে বলে কপম্পিটারে ডেলিবারী ডেইট দিয়েছে সামনের মাসের ১৯-১০-১৯ তারিখ আরো ১মাসের বেশি সময় আছে, ডাক্তার বললো রোগীর অবস্থা ভালোনা সিজার করতে হবে। সকাল ১০:৪৫ মিনিটে সিজার করা হয়। একটি কন্যা সন্তান হয় এবং মা ও শিশুর অবস্থা খুবই খারাপ হতে তাকে মাকে ICU তে আর বাচ্চাকে NICU তে ভর্তি করা হয়। রোগীর অবস্থা অবনতি দিকে গেলে ডাক্তার ওসমানিতে ICU তে রেফার করে রোগটি নাম GBS with Bradycardia with 6″ POD following lucs সারা দেহ অবস করে ফেলেছে।

১৯-০৯-১৯ দুপুর বেলা রোগীর আত্মীয়রা এ্যাম্বুলেন্স করে ওসমানিতে নিয়ে যায়। ICU তে ব্যাড না থাকায় রোগী ও বাচ্চা ICU ছাড়া বাঁচানো যাবেনা তাই পরে তারা নর্থইষ্ট মেডিকেল কলেজে নিয়ে ভর্তি করে এবং ডাক্তার রোগীর অবস্থা দেখে ICU তে সাথে সাথে ভর্তি দেয় অবস্থার অবনতি হলে রোগীকে লাইফ সাপোর্টে দেয়া হয়। এবং ডাক্তার বলে ইনজেকসন লাগবে রোগী আত্মীয় নর্থইষ্টের বিলই দিতে পারছে না। তারা ডাক্তারকে তাদেরকে অর্থিক অভাব জানালে ডাক্তার তাদের ওসমানিতে যাওয়ার পরামর্শ দেয় ,বলে ওসমানিতে ICU তে বিল লাগবেনা এবং তারা তাদের নর্থইষ্টের পেডে রোগের নাম রোগীর ইমান্জেসি অবস্থা লিখে ওসমানি মেডিকেলকে রেফার করে এবং পরে ওসমানি মেডিকেলে ICU ব্যাড পাওয়ার সাথে সাথে টাকা মেনেজ করে ICU এ্যাম্বুলেন্স করে ওসমানি মেডিকেল ভর্তি করা হয়। সে এখন লাইফ সাফোটে আছে। ডাক্তার বলেছেন ইনজেকসন লাগবে বাংলাদেশী কোম্পনির NORMOGLOBIN ইনজেকসন ৫দিন লাগাতার দিতে হবে যার মূল্য ৬,২৫,০০০/- অর্থাৎ প্রতিদিন ১লক্ষ ২৫ হাজার টাকার ইঞ্জেকশান লাগবে। প্রতিটি ইঞ্জেকশান এর দাম ১২৫০০ টাকা আর প্রতিদিন ১০টি ইঞ্জেকশান লাগবে।

রোগী মা স্বামী তারা পাগলের মত অবস্থা, সে সৌদিতে লেবার, কোম্পানিতে চাকরি করে, তার অর্থনৈতিক অবস্থা এখন আর নাই, যা ছিল তা রোগীর জন্য খরছ করেছে। এখন তার দুই বাচ্চা অসহায়, বাচ্চাদের কথা চিন্তা করে সমাজের বিত্তবানদের কাছে আকুল আবেদন, আপনার আমার একটু সাহায্যে একটি পরিবার জীবন ফিরে পাবে। কেউ চাইলে ১টি ইঞ্জেকশান এর খরচ ১২৫০০ টাকা বা নিজে কিনে দিয়েও সাহায্য করতে পারেন।

রোগী জবা বেগমের মা জুলেকা বেগমের নাম্বার সাহায্য জন্য বিকাশ নাম্বার 01747-504118

print

LEAVE A REPLY