(ভিডিও)বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তির বিরোধীতা কি শুধু শিবির করবে?

বাংলাদেশের সাথে ভারতের সাথে যে চুক্তি হয়েছে এই প্রতিবাদ কি শুধু শিবির করবে? বাংলাদেশের সাধারন নাগরিক করতে পারবে না বলে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল।

আবরার হত্যার প্রতিবাদ জানাতে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনেসাধারণ শিক্ষার্থীদের সমাবেশে এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আবরার যদি শিবিরও হতো, ছাত্রলীগকে শিবির হত্যা করার অধিকার কে দিয়েছে? কোন আইনে আছে ভিন্নমত অবলম্বীদের পিটিয়ে হত্যা করতে পারবে ছাত্রলীগ। তাহলে আপনারা একটা আইন করেন ছাত্রলীগ যে কাউকে পিটিয়ে হত্যা করতে পারবে। অথবা ছাত্রলীগের এই অনাচার অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। কাশ্মির ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যদি কেউ কাম্মিরের পাশে দাড়ায় তাহলে কি শিবির হয়ে যাবে।

তিনি ক্ষমতাসীনদের উদ্যেশ্য করে বলেন, শুধু টর্চার সেল নয় এই কিলিং ম্যশিনের উপর ভর করে যারা ক্ষমতায় আছেন? তারা ভারতকে সব কিছু উজাড় করে দিতে পারছে। সে গুলো নিয়ে আমাদের কথা বলতে হবে। আমোদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি সাধারন ছাত্রদের উদ্যেশ্য করে বলেন, আজ যদি আপনারা গণরুম গেস্টরুম কালচার বন্ধ না করতে পারেন তাহলে ভবিষ্যতে এখানে যারা আছেন তাদেরকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হবে।

তিনি সাধারন ছাত্রদের আহবান জানিয়ে বলেন, আপানারা হলে হলে গিয়ে প্রতিটি প্রভস্টকে ধরেন। সেখানে কোথায় টর্চার সেল আছে, গণরুম কোথায়, গেস্টরুম কোথায় খুঁজে বের করে বন্ধ করতে বাধ্য করেন। ভিসিকে বাধ্য করেন। তাদের প্রত্যেককে জবাবদিহিতা দিতে হবে। তাহলে আমরা ছাত্ররাজনীতির নামে যে টর্চার চালানো হচ্ছে তা থেকে মুক্তি পাবো।

তিনি বলেন, আবরার যদি সত্যি মারা না গিয়ে আহত হতো তাহলে আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখতাম শিবির সন্দেহে বুয়েট ছাত্রকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ। কারন এর আগে বহুবার আমরা এ ঘটনা দেখেছি।

আসিফ নজরুল স্যার…অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Gepostet von Rafe Salman Rifat am Mittwoch, 9. Oktober 2019

print

LEAVE A REPLY