জার্মানিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জেলহত্যা দিবস পালিত

হাবিবুল্লাহ আল বাহার, জার্মানি: অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে শোক ও শ্রদ্ধায় জার্মানির ফ্রান্কফুর্টে জার্মান আওয়ামীলীগের সমন্বয় কমিটির তত্বাবধানে হেসেন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৩ নভেম্বর (রবিবার) ফ্রাঙ্কফুর্টের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর শহীদ জাতীয় চার নেতার স্মৃতির স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহীদ জাতীয় চার নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রীসভার সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সমন্বয় কমিটির অন্যতম সদস্য হাফিজুর রহমান আলম।

সমন্বয় কমিটির তত্বাবধানে, হেসেন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল ভূইয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সমন্বয় কমিটির অন্যতম সদস্য হাফিজুর রহমান আলম, মাবু জাফর স্বপন, মাহফুজ ফারুক, নজরুল ইসলাম খালেদ, হাকিম টিটু, শফিকুল ইসলাম শফি, মানিক মিয়া, মোহাম্মদ রিপন, খোকা রাহুল, শেখ আলম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৮১ দিন পর জেলহত্যা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়, বরং পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডসমূহের মধ্য দিয়ে খুনি মোশতাক-জিয়া চক্র বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করার অপচেষ্টা করেছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সফল হয়নি হবেও না।

তাঁরা আরো বলেন, শেখ হাসিনা ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং সুযোগ্য নেতৃত্বে আওয়ামীলীগকে সংগঠিত করেছেন এবং মুক্তিযাদ্ধের চেতনাকে ধারন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে দেশ পরিচালনা করছেন। বক্তারা জেলহত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত বাকি খুনিদের দেশে ফেরত নিয়ে রায় কার্যকর করার জোর দাবি জানান।

print

LEAVE A REPLY