এ বি এম মোশাররফ হোসেনসহ বিএনপির ৩ নেতা গ্রেফতার

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেনসহ দলটির ৩ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অপর দুজন হলেন- অ্যাডভোকেট আলম ও অ্যাডভোকেট তৌহিদ।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় যোগদান শেষে বের হয়ে যাওয়ার পথে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার এসএম শামীম ব্রেকিংনিউজকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এ বি এম মোশাররফ হোসেনসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) একই মামলায় সকাল ১০টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের মূল ফটকের সামনে থেকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদের (ডাকসু) সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরই একই মামলায় একই জায়গা থেকে গ্রেফতার হন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। প্রায় একই সময়ে একই মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গেল মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) হাইকোর্টের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবস্থান কর্মসূচির এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এসময় বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করতে দেখা যায় বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীদের।

এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেয়া, অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগ এনে ওইদিনই শাহবাগ থানায় একটি মামলা করে পুলিশ। মামলার এজাহারে ১৫-২০ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলা দায়েরের পর ওই রাতেই (২৬ নভেম্বর) জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টা পরই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ জামিন মঞ্জুর আদালত মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, খায়রুল কবির খোকনকে জামিন দেন।

এদিকে পুলিশের করা ওই মামলায় গ্রেফতার আতঙ্কে বৃহস্পতিবার বিকেলে হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ব্রে নি

print

LEAVE A REPLY