এসএ গেমসের বর্ণিল উদ্বোধনের অপেক্ষায় কাঠমান্ডু

লেজার শো, বর্ণিল ডিসপ্লে, অ্যাথলেটদের মশাল প্রজ্বালন, মাঠে সাত দেশের মানচিত্রের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা এবং শেষে আতশবাজির রোশনাই কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালায় আজ সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের এমন রঙিন উদ্বোধনের আয়োজন করেছে নেপাল। তিন বাহিনীর চৌকস সদস্য ছাড়াও স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা থাকছেন প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ১৯৮৪ ও ১৯৯৯ সালের পর তৃতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এসএ গেমসের আয়োজন করতে যাচ্ছে নেপাল। এবারের আয়োজনে আগের দুই আসরকেও ছাপিয়ে যেতে চায় কাঠমান্ডু। তাইতো তিনবার সময় বদলেছে তারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগের দিনও কাজ হয়েছে দশরথ স্টেডিয়ামে বাইরের অংশে।

আজ বিকেল পাঁচটায় শুরু হবে গেমসের উদ্বোধন। ঘড়ির কাঁটা যখন পাঁচটা ছুঁই ছুঁই, ঠিক তখনই দশরথ রঙ্গশালায় প্রবেশ করবেন নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী বান্দারি। এরপর আসবেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। আয়োজক কমিটি তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানাবে। এরপর হবে তিন মিনিটের লেজার শো। সাত দেশের ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণে মার্চপাস্ট পর্যবেক্ষণ করবেন নেপালের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী। নেপাল অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট জীবন রাম শ্রেষ্ঠা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরুর ঘোষণা দেবেন। উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের সদস্য সচিব রমেশ কুমার সিলওয়াল। উপস্থিত থাকবেন ক্রীড়ামন্ত্রী জগত বাহাদুর বিশ্বকর্তা সুনার। নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী বান্দারির উদ্বোধনী ভাষণের পরেই সাবেক চার তারকা অ্যাথলেট মশাল নিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করবেন। শেষে মশাল প্রজ্বালন করে এসএ গেমসে আলো জ্বালাবেন চারবারের সোনাজয়ী সাবেক তায়কোয়ান্ডোকা দীপক বিষ্ঠা। ক্রীড়াবিদদের পক্ষ থেকে শপথ বাক্য পাঠ করবেন নেপালের তারকা ক্রিকেটার পরেশ খড়কা এবং কোচদের পক্ষ থেকে রেফারি দীপক থাপা।

এরপরেই শুরু হবে মিউজিক্যাল পারফরম্যান্স। রঙিন আয়োজনে থাকবে স্বাগত নৃত্য। ১২ মিনিট ধরে নেপালের সেনাবাহিনী, আর্মড পুলিশ ফোর্সেস ও পুলিশের এক হাজার চৌকস সেনা সাত দেশের নামের সঙ্গে মাঠেই সংশ্লিষ্ট দেশের মানচিত্র ফুটিয়ে তুলবেন। নেপালের ঐতিহ্যবাহী নৃত্যও থাকবে। যাকে বলা হয় মাসকেলেস থিনিক। এই পর্বে থারু ডান্স, লামা ডান্স, নাগার ডান্স ও লাখে ডান্স পরিবেশন করবেন আদিবাসীরা। হিমালয় দুহিতার সেরা গায়ক দীপক বাজরাচারিয়া একক সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। সবশেষে থাকবে আতশবাজি।

print

LEAVE A REPLY