মিয়ানমারের কারণে মাদক ঠেকানো যাচ্ছে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের কারণে ইয়াবা নামক ভয়াবহ মাদক ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, যতবারই কথা বলেছি, মিয়ানমার ততবারই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা ইয়াবা বন্ধের বিষয়টি দেখবে। কিন্তু তাদের প্রতিশ্রুতির পরও পরও কাজ হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তিনভাবে কাজ করছি। ডিমান্ড হ্রাস, সাপ্লাই হ্রাস এবং সর্বোপরি মাদকাসক্তদের পুনরায় কর্মক্ষম করতে নিরাময় কেন্দ্রের মাধ্যমে কাজ করছি।

তিনি বলেন, কারাগারের ধারণ ক্ষমতা ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে। এর বিপরীতে ৮০ হাজারের ওপর বন্দি রয়েছে কারাগারে। যার বেশিরভাগই মাদকের আসামী। মাদক মামলা নিষ্পত্তির জন্য আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি প্রক্রিয়াধীন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক নির্মূলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

দেশে মাদক প্রবেশের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে মাদক উৎপাদন হয় না। চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দেশে নানা পথে মাদক ঢুকছে। মাদকের একটি অংশ পাচার হয়ে বিদেশে চলে যাচ্ছে। অবশিষ্ট মাদক রয়ে যাচ্ছে দেশেই। ইদানীং মাদক চোরাচালানে নারীরাও যুক্ত হয়েছেন। আর মাদক ব্যবসায়ীরা শিশুদের বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে। এগুলো আমরা লক্ষ্য করছি। কাজেই মাদক নির্মূলে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজের সবাইকে মাদকের কুফল সম্পর্কে জানাতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। তবেই সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব।

print

LEAVE A REPLY