মুশফিকের সেঞ্চুরিতে জয়ে শুরু আবাহনীর

ছোঁয়াছে ভাইরাস করোনা আতঙ্কের মধ্যেই চলেছে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ। ঢাকা লিগের চলতি আসরের উদ্বোধনির প্রথম ম্যাচেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

ক্যারিয়ারে প্রথমবার আবাহনীর হয়ে খেলতে নেমেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন মুশফিক। আবাহনীর এ নতুন অধিনায়কের ১২৭ রানের ইনিংসের ভর করে ৭ উইকেটে সংগ্রহ করে ২৮৯ রান।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে মেহেদী হাসান রানার গতির মুখে পড়ে ৪৮.৪ ওভারে ২০৮ রানে অলআউট হয় তাসামুল হকের নেতৃত্বাধীন পারটেক্স স্পোটিং ক্লাব। ৮১ রানে জয় পায় আবাহনী।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আবাহনীর অধিনায়ক মুশফিক। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে যায় আবাহনী।

ষষ্ঠ উইকেটে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে সঙ্গে নিয়ে ১৬০ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। এই জুটিতেই সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক আর ফিফটি তুলে নেন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন।

১২৪ বলে ১১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১২৭ রান করে আউট হন মুশফিক। তার বিদায়ের মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন মোসাদ্দেক। তিনি ৭৪ বলে চারটি চার ও দুই ছক্কায় ৬১ রান করেন সৈকত।

ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমতো তাণ্ডব চালান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। মাত্র ১৫ বল খেলে দৃষ্টিনন্দন ৫টি ছক্কায় অপরাজিত ৩৯ রান করেন জাতীয় দলের এ পেস বোলিং অলরাউন্ডার। এ ছাড়া ১৪ বলে শেষদিকে ১৭ রান করেন তাইজুল ইসলাম।

২৯০ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে তরুণ পেসার মেহেদী হাসান রানার গতির মুখে পড়ে ১১০ রানে ৫ উইকেট হারায় পারটেক্স। এরপর ধীমান ঘোষের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন মিলন।

এরপর ৪৯ রানের ব্যবধানে ফের ৫ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় পারটেক্স। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেন নাজমুল মিলন। ৪৩ রান করেন তাসামুল হক। আর ৩৬ রান করেন উইকেটপিকার ব্যাটসম্যান ধীমান ঘোষ। আবাহনীর হয়ে ৯.৪ ওভারে ৫৫ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন মেহেদী হাসান রানা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

আবাহনী: ৫০ ওভারে ২৮৯/৭ (মুশফিক ১২৭, মোসাদ্দেক ৬১, সাইফউদ্দিন ৩৯*, তাইজুল ১৭*, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫, আমিনুল ইসলাম ১৪)।

পারটেক্স: ৪৮.৪ ওভারে ২০৮/১০ (নাজমুল মিলন ৫৩, তাসামুল ৪৩, ধীমান ঘোষ ৩৬, সায়েম আলম রানা ৪/৫৫)।

ফল: আবাহনী ৮১ রানে জয়ী।

print

LEAVE A REPLY