তারা জনতার ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে উদ্যত হন : হাছান মাহমুদ

সেদিন তাদের (মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ) গাড়ির ধাক্কায় দুজন পথচারী আহত হন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা উত্তেজিত জনতার ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে উদ্যত হন।

যে কারণে ওই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ‘জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বুধবার সকাল ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘পহাড়ধসের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থালে গিয়ে সহায়তা করেছে। বিএনপির ঢাকার নেতারা দূরের কথা, চট্টগ্রামের কোনো নেতাও এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে যাননি। ‘ তিনি বলেন, ‘পাহাড়ধসের এক সপ্তাহ পর মির্জা ফখরুল আমার নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়ার ওপর দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের যাওয়ার কথা ছিল রাঙামাটি রোড হয়ে। সে অনুযায়ী পুলিশ প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল। তারা রুট পরিবর্তন করেছে। এটি পুলিশকে জানায়নি। তারা রাঙামাটি রোড থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে সেই রোড দিয়ে কাপ্তাই হয়ে যাচ্ছিলেন। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসাখাল নামক জায়গায় যাওয়ার পর তাদের গাড়ির ধাক্কায় দুজন পথচারী আহত হন। ‘

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর যখন সেখানে জটলা তৈরি হয়, বাকবিতণ্ডা হয় তখন জনতার ওপর দিয়ে তারা গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্যত হন তারা। তখনই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ওই ঘটনা অপ্রীতিকর অনভিপ্রেত এবং নিন্দনীয় বলেছি। আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদকও তাই বলেছেন। ‘ তিনি বলেন, ‘ঘটনার পরপরই তারা যদি প্রশাসনকে জানাত তাহলে পুলিশ প্রশাসনের নিরাপত্তা সেখানে থাকত। পুলিশ প্রশাসন জানার পরপরই তারা সেখানে হাজির হয়। হাজির হওয়ার পর তাদেরকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিয়ে রাঙামাটিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ‘

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘তারা রাঙামাটিতে না গিয়ে চট্টগ্রামে ফিরে যান। সেখানে গিয়ে ওই ঘটনা আমাদের ওপর আওয়ামী লীগের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন। আমি আমরা সন্ত্রাসীর রাজনীতি করি না। ‘

print

LEAVE A REPLY