লংকানদের হারিয়ে ইতিহাস গড়লো জিম্বাবুয়ে

সিকান্দার রাজার অলরাউন্ড নৈপুণ্যে লংকানদের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ে জয় পেয়েছে জিম্বাবুয়ে।

এর ফলে ২০০৯ সালের পর এটাই তাদের বিদেশের মাটিতে একমাত্র সিরিজ জয়।

জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে তৃতীয় কোনো টেষ্ট খেলুরে দেশের বিপক্ষে সিরিজ জয় এটি। যা হয়নি জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের স্বর্ণযুগেও।

তারা নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিপক্ষে বিদেশের মাটিতে এর আগে শুধু ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল।

সোমবার হাম্বানটোটায় সিরিজ নির্ধারণী ৫ম ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৩ উইকেটে হারায় মাসাকাদজারা।

টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক গ্রামি ক্রেমার।

লংকান ব্যাটসম্যানদের একের পর এক ধরাশয়ী করে ২০৩ রানে বেধে ফেলে সিকান্দার রাজারা।

লংকানদের পক্ষে ধানুস্কা গুনাথালিকা ৫২ ও আসেলা গুনারত্মে ৫৯ রান করতে সক্ষম। এছাড়া আর কোনো লংকান ব্যাটসম্যানেরাই উল্লেখ করার মতো কোনো রান করতে পারেননি।

সিকান্দার রাজা ১০ ওভারে ২১ রান দিনে ৩ উইকেট নিয়ে লংকান শিবিরে ধস নামান।

এছাড়া অধিনায়ক ক্রেমার ২টি, টেন্টাই চাতারা, শেন উইলিয়ামস, ম্যালকম ওয়ালার ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

২০৪ রানের সহজ লক্ষে খেলতে নেমে দুরন্ত সূচনা করে জিম্বাবুয়ে। ১ম উইকেট জুটিতে মাসাকাদজা ও সলোমন মারি সংগ্রহ করেন ৯২ রান।

সলোমন ৪৩ রান করে আউট হয়ে গেলেও মাসাকাদজা খেলেন ৭৩ রানের এক ঝলমলে ইনিংস।
এমন সূচনা সত্ত্বেও মাঝপথে খেই হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ২৪ ওভারে ১ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ছিল ১৩৭ রান। কিন্তু ১৭৫ রান সংগ্রহ করতে তারা হারায় আরও ৬ উইকেট।

একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল তারা হয়তো সিরিজ হারাতে বসেছে। কিন্তু সিকান্দার রাজা আবারও আবির্ভূত হন ত্রাতার ভূমিকায়। শক্ত হাতে তিনি দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে।

২৭ রানে অপরাজিত থেকে তিনি জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন। তিনি ছাড়াও থারিছাই মুসাকান্দা করেন ৩৭ রান।

শ্রীলংকান দলের আকিলা ধনঞ্জয়া ৪ উইকেট সংগ্রহ করেন। এছাড়া মালিঙ্গা ২টি, গুনারত্মে একটি উইকেট লাভ করেন।

এ জয়ের ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জিতে নিল জিম্বাবুয়ে।

print

LEAVE A REPLY