পুলিশের হাত থেকে পালানো সেই আল আমিন গ্রেফতার

হাতকড়াসহ পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যাওয়া সাভারের কমলাপুরের ভবানীপুর এলাকার সেই আল আমিনকে (৪০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৪।

মঙ্গলবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের রেডিওকলোনি বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার আট সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে।

আল আমিনের কাছ থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন, ছয় রাউন্ড গুলি, ১৮’শ ইয়াবা, ১১টি মোবাইল ফোন, নগদ প্রায় বিশ হাজার টাকা ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।

আল আমিন বিরুলিয়া ইউনিয়নের কমলাপুর ভবানীপুর এলাকার আব্দুল আলীম ওরফে ভোলা মিয়ার ছেলে।

সাভার নবীনগর র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর আব্দুল হাকিম যুগান্তরকে জানান, সাভারের ভবানীপুর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও প্রায় ১৪টি মামলার আসামি আল আমিন দীর্ঘদিন থেকে পলাতক ছিল।

মঙ্গলবার ভোর রাতে তাকে ধরতে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের রেডিওকলোনি বাসস্ট্যান্ডে তল্লাশি চৌকি বসায় র‌্যাব-৪।

এসময় আল আমিন একটি গাড়িতে করে নবীনগর যাচ্ছে- এমন গোপন সংবাদ পেয়ে একটি মাইক্রোবাস আটক করা হয়। এসময় ওই মাইক্রোবাসে তল্লাশি করে আল আমিনসহ তার ৮ সহযোগীকে আটক করা হয়।

তাদের সাভার মডেল থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হবে বলে জানান মেজর আব্দুল হাকিম।

জানা যায়, গত এক মাস আগে কমলাপুর ভবানীপুর গ্রামে আল আমিনকে ধরতে তার বাড়িতে অভিযান চালায় সাভার মডেল থানা পুলিশ। এসময় আল আমিনকে ধরলে হাতকড়াসহ পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যায় আল আমিন।

পরে সেখানে পুলিশের গুলিতে ইসমাইল নামের আল আমিনের এক সহযোগী মারা যায়। এ ঘটনার পর থেকে আল আমিনের বাড়িতে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প বসায় সাভার মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে আল আমিন পলাতক ছিলেন।

আল আমিন সাভার উপজেলা যুবলীগের সাবেক নেতা ছিল বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন জানান, আল আমিনকে ধরায় ওই এলাকার সাধারণ মানুষরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

print

LEAVE A REPLY