ক্ষমতাসীদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় : ড. শেলী

ক্ষমতাসীদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মিজানুর রহমান শেলী।
তিনি বলেছেন, পুলিশ, সিভিল সার্ভিস, স্থানীয় সরকার সর্বত্রই দলীয়করণ করা হয়েছে। এ অবস্থায় নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে।

শেলী বলেন, এরশাদ সরকারের যখন পতন হয়েছিল তখন বিকল্প সাংবিধানিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রথমে উপ-রাষ্ট্রপতি, পরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি করে নির্বাচন করা হয়েছিল। তাতে গণতন্ত্র বিজয়ী হয়েছিল। গণতন্ত্রের স্বার্থে এখনো সে রকম কিছু করা যায়। কারণ সংবিধান কোন ঐশী বাণী নয়। সবাই মেনে নিলে এটা পরিবর্তন করা যায়।

আজ বুধবার ধানমন্ডি নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

মিজানুর রহমান শেলী বলেন, দেশ এখন গণতন্ত্র থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সরকার জনগণকে বাদ দিয়ে পুলিশ ও আমলা নির্ভর হয়ে পড়েছে। দেশে এক নাজুক পরিস্থিতি চলছে। দেশে বিদেশী হস্তক্ষেপ বেড়ে যাচ্ছে। যা ইতোমধ্যেই আমরা দেখতে পাচ্ছি। একটি স্বাধীন দেশে এটা কারো কাম্য হতে পারেনা। এ অবস্থা চলতে থাকলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি সরকারি দল-বিরোধী দল সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এটা থেকে পরিত্রাণে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অপরিহার্য। এজন্য দেশের বড় দুই দলকে অবশ্যই ঐক্যমতে আসতে হবে। সমঝোতা করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার মুখে উন্নয়নের কথা বললেও মনে মনে তারাও উদ্বিগ্ন। কিন্তু নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে যাওয়ার ভয়ে তারা এটা বলতে পারছে না। কারণ ক্ষমতা কেউ সহজে ছাড়তে চায় না।

তিনি আরো বলেন, সরকার ফ্লাইওভার, পদ্মাসেতু, রাস্তা, উঁচু ভবনসহ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করছে। কিন্তু এ উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে কতটা পৌঁছেছে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। হয়তো সরকারি দলের কিছু নেতা বিদেশে সেকেন্ড হোম করেছেন, এতে তারা ও তাদের পরিবার ভালো থাকতে পারে, কিন্তু বেশিরভাগ সাধারণ মানুষই ভালো নেই।

মিজানুর রহমান বলেন, সমাজে সব ক্ষেত্রে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ সব পেশার মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি পুলিশ এবং আমলাদেরকেও দলীয়ভাবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। যা রুয়ান্ডার হুটু ও টুটু গ্রুপের মত মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটা দেশের উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর। এ অবস্থা থেকে আমাদের পরিত্রাণ দরকার। পুলিশ ও আমলা নির্ভর সরকারের ধারণা থেকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে বলেও মনে করেন সাবেক এ সচিব।

ক্ষমতাসীদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মিজানুর রহমান শেলী।
তিনি বলেছেন, পুলিশ, সিভিল সার্ভিস, স্থানীয় সরকার সর্বত্রই দলীয়করণ করা হয়েছে। এ অবস্থায় নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে।

শেলী বলেন, এরশাদ সরকারের যখন পতন হয়েছিল তখন বিকল্প সাংবিধানিক কোনো ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রথমে উপ-রাষ্ট্রপতি, পরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি করে নির্বাচন করা হয়েছিল। তাতে গণতন্ত্র বিজয়ী হয়েছিল। গণতন্ত্রের স্বার্থে এখনো সে রকম কিছু করা যায়। কারণ সংবিধান কোন ঐশী বাণী নয়। সবাই মেনে নিলে এটা পরিবর্তন করা যায়।

আজ বুধবার ধানমন্ডি নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

মিজানুর রহমান শেলী বলেন, দেশ এখন গণতন্ত্র থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সরকার জনগণকে বাদ দিয়ে পুলিশ ও আমলা নির্ভর হয়ে পড়েছে। দেশে এক নাজুক পরিস্থিতি চলছে। দেশে বিদেশী হস্তক্ষেপ বেড়ে যাচ্ছে। যা ইতোমধ্যেই আমরা দেখতে পাচ্ছি। একটি স্বাধীন দেশে এটা কারো কাম্য হতে পারেনা। এ অবস্থা চলতে থাকলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি সরকারি দল-বিরোধী দল সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এটা থেকে পরিত্রাণে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অপরিহার্য। এজন্য দেশের বড় দুই দলকে অবশ্যই ঐক্যমতে আসতে হবে। সমঝোতা করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার মুখে উন্নয়নের কথা বললেও মনে মনে তারাও উদ্বিগ্ন। কিন্তু নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে যাওয়ার ভয়ে তারা এটা বলতে পারছে না। কারণ ক্ষমতা কেউ সহজে ছাড়তে চায় না।

তিনি আরো বলেন, সরকার ফ্লাইওভার, পদ্মাসেতু, রাস্তা, উঁচু ভবনসহ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করছে। কিন্তু এ উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে কতটা পৌঁছেছে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। হয়তো সরকারি দলের কিছু নেতা বিদেশে সেকেন্ড হোম করেছেন, এতে তারা ও তাদের পরিবার ভালো থাকতে পারে, কিন্তু বেশিরভাগ সাধারণ মানুষই ভালো নেই।

মিজানুর রহমান বলেন, সমাজে সব ক্ষেত্রে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ সব পেশার মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি পুলিশ এবং আমলাদেরকেও দলীয়ভাবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। যা রুয়ান্ডার হুটু ও টুটু গ্রুপের মত মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটা দেশের উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর। এ অবস্থা থেকে আমাদের পরিত্রাণ দরকার। পুলিশ ও আমলা নির্ভর সরকারের ধারণা থেকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে বলেও মনে করেন সাবেক এ সচিব।

নয়া দিগন্ত

print

LEAVE A REPLY