চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

পুলিশের হয়রানি, অনিবন্ধিত ও ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ এবং পরিবহন সেক্টরে তৎপর বিভিন্ন অবৈধ সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াসহ ১১ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম নগরীতে গণপরিবহন মালিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে।

টানা তিন দিন চলার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠকের পর ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হয়।

মেয়র সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যৌথ বৈঠক করে তাদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিন দিনের ধর্মঘটে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

মেট্রো গণপরিবহন মালিক সংগ্রাম পরিষদ নামক একটি সংগঠন রোববার ভোর ৬টা থেকে আকস্মিক গণপরিবহন ধর্মঘট শুরু করে।

এতে ওই সংগঠনের অধীনে থাকা বাস, মিনিবাস, হিউম্যান হলারসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে নগরবাসীকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে।

মঙ্গলবার ধর্মঘটের তৃতীয় দিনেও গণপরিবহন সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। তবে মালিকদের অপর একটি সংগঠন ধর্মঘটের মধ্যেও বাস ও হিউম্যান হলার চালিয়েছে।

দাবি-দাওয়া নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্মঘট পরিবহন মালিকরা চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মেট্রো গণপরিবহন মালিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বেলাল বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, পরিবহন সেক্টরে যে নৈরাজ্য চলছে- তা আমরা মেয়রকে অবহিত করেছি। বিশেষ করে যানবাহন থেকে অর্থ আদায়সহ পুলিশের নানা হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছি। তিনি আমাদের কথা শুনেছেন। ২-৩ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে একটি যৌথসভা আহ্বান করে আমাদের দাবি-দাওয়া পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন। তাই আমরা ধর্মঘট স্থগিত করেছি।

এদিকে চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের নেতারা মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ধর্মঘটের নামে কয়েক দিনে নগরীতে গণপরিবহনে হামলা করেছে একটি পক্ষ। তারা কয়েকটি বাস ভাংচুর করেছে। হামলায় কয়েকজন পরিবহন শ্রমিক আহত হয়েছেন। নগরীর পরিবহন সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে এ ধর্মঘট ডাকা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ।

print

LEAVE A REPLY