বিচারিক আদালত থেকে নথি আসার পর আদেশ

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। নিম্ন আদালত থেকে নথি আসার পর সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর জামিনের বিষয়ে আদেশ দেবেন আদালত।

রোববার বিকালে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি একই বেঞ্চ খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে ১৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সময় শেষ হতে এখনও ১২ দিন বাকি।

এর আগে দুপুর ২টার পর শুনানির শুরুতে বয়স-অসুস্থতা-সামাজিক মর্যাদা বিবেচনায় খালেদা জিয়ার জামিনের আর্জি জানান তার আইনজীবীরা। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের আইনজীবীরা খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা করেন।

বিকালে শুনানি শেষে আদালত জানান, বিচারিক আদালত থেকে নথি আসার পর খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন তার আইনজীবীরা। আবেদনে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর জামিনের জন্য ৩১টি যুক্তি দেখানো হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এ রায়ে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন।

রায়ের পর পরই বকশীবাজারের আদালত থেকে খালেদা জিয়াকে পাশের নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। গত ১৮ দিন ধরে সেখানেই তিনি বন্দি আছেন।

print

LEAVE A REPLY