জাতির কল্যাণ সাধনই হবে মেধাবীদের লক্ষ্য : শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা একটি দেশের অমূল্য সম্পদ। আজকের মেধাবীরাই আগামীর দেশ গড়ার কারিগর। জাতির কল্যাণ সাধনই হবে মেধাবীদের লক্ষ্য।

তিনি আজ ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

মহানগরী সভাপতি রফিকুল হাসান লোদীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ইমরানুল হকের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক কামরুল হাসান সহ মহানগরীর বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

শিবির সভাপতি বলেন, মেধাবীরা যদি সার্বিকভাবে নিজেদের গড়ে তুলতে না পারে তবে দেশ গড়ার বদলে তারা ধ্বংসের হাতিয়ারে পরিণত হবে। যেমনটি হচ্ছে বর্তমানে। ভালো ফলাফলের পেছনে অভিভাবক, শিক্ষকগণের অক্লান্ত পরিশ্রম থাকলেও নৈতিকতা সম্পন্ন ক্যারিয়ার গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকগণের ভূমিকা অনেকাংশে নেই। তাই পথ চলা নির্ধারণের মূল দায়িত্ব মেধাবীদেরকে নিতে হবে। নীতি নেতিকতাহীন মেধা ভয়ঙ্কর ক্ষতিকারক।

এটি জাতির জন্য ভয়ংকর অভিশাপে পরিণত হয়। একজন অন্ধ মানুষের হাতে মশাল তুলে দিলে সে যেমন সমাজকে আলোকিত করার বদলে আগুন লাগিয়ে দিবে তেমনি নীতিহীন মেধাবীও জাতির জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ দৃশ্য দেখতে দেখতে জাতি আজ ক্লান্ত ও হতাশ। এই হতাশাগ্রস্ত জাতিকে সমৃদ্ধির নতুন বার্তা দেয়ার দায়িত্ব নিতে হবে আজকের মেধাবীদের।

তিনি বলেন, এতো মেধা সম্পদ থাকার পরও আমরা স্বনির্ভর জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারিনি। কারণ দেশে মেধা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। যার ফলে হাজারো মেধাবী বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে অবিস্বরণীয় মেধার স্বাক্ষর রাখলেও দেশের জন্য তেমন কাজে আসছে না। দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদের বিশাল অংশ চলে যাচ্ছে বিদেশে। নতজানু নীতির কারণে নিজ দেশের সর্বনাশ করে অন্যদেশকে অনৈতিক সুবিধা দেয়া হচ্ছে। সবই হচ্ছে পরনির্ভর মানসিকতার কারণে। এভাবে চলতে থাকলে ধীরে ধীরে আমরা সবক্ষেত্রে স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলব। তাই মেধাবী ও নৈতিকতা সম্পন্ন নাগরিকের অভাব পূরণ করতেই ছাত্রশিবির তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ছাত্রশিবির এ প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতিকে অনেক মেধাবী ও নৈতিকতা সম্পন্ন নাগরিক উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি

উৎসঃ dailynayadiganta

print

LEAVE A REPLY