ঈদ-উল-আযহার মর্মবাণী গুম,খুন,সেচ্ছাচারিতামুক্ত, বিভেদ ও বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা

কোরবানী’ শব্দের উৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে আত্মত্যাগ, আত্মউৎসর্গ, নিজেকে বিসর্জন, আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা বা অতিশয় নিকটবর্তী হওয়া ইত্যাদি।

আর ইসলামের পরিভাষায় কোরবানি হলো- নির্দিষ্ট পশুকে একমাত্র মহান আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময়ে তারই নামে জবেহ করা। মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে আমাদের জবাই করা পশুর মাংস বা রক্ত কিছুই পৌঁছায় না, কেবল আমাদের  নিয়ত আর উদ্দেশ্য ছাড়া।

আমরা সবাই জানি, ঈদুল-আজহার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে, মনের পশু অর্থাৎ কু-প্রবৃত্তিকে পরিত্যাগ করা। আর তাই, বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায় বলতে ইচ্ছে করে “মনের পশুরে কর জবাই, পশুরাও বাঁচে, বাঁচে সবাই..’”।

কাজেই, ঈদুল আজহার মর্মবাণী ‘অন্তরে ধারণ করে’ নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে গুম, খুন, সেচ্ছাচারিতামুক্ত, বিভেদ ও বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য জাতিয় স্বার্থে স্বাধীনতার সংবিধানের ভিত্তিতে সকল দল ও মতের অংশগ্রহণে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ত্যাগের মহিমায় ও সম্প্রীতির বন্ধনে ঐক্যবদ্ধ হউক সকল সম্প্রদায়ের সকল পেশার মানুষ।

পরিশেষে, দেশে বিদেশে অবস্থানরত প্রত্যেক বাঙালী ভাই বোনসহ সমগ্র বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্ববাসীকে আমার ব্যক্তিগত ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে জানাই পবিত্র ঈদুল-অজহার শুভেচ্ছা।

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

print

LEAVE A REPLY