মামলা-হামলায় কোণঠাসা বিএনপি

একাদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ। নেতা-কর্মীরা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে মিছিল ও গণসংযোগ করে নৌকার পক্ষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যদিকে মামলা-হামলায় কোণঠাসা হয়ে আছে বিএনপি ও ২০-দলীয় জোট। খুলনা-২ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, নির্বাচনী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে পুলিশ দেড় মাসের মাথায় তড়িঘড়ি করে নাশকতার পাঁচটি মামলায় চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিয়েছে। এসব মামলায় আদালতে হাজির হলে নেতা-কর্মীদের পাঠানো হচ্ছে কারাগারে। আর হাজির না হলে জারি করা হচ্ছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। তবে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন বলেন, পুলিশ আইনগতভাবে মামলার চার্জশিট দিয়েছে। এর সঙ্গে নির্বাচন বা আওয়ামী লীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ভোটের মাঠের খবর নিতে গিয়ে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও বাগেরহাট-১ আসনের মহাজোট প্রার্থী শেখ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এ কারণে আওয়ামী লীগকে পুনরায় ক্ষমতায় দেখতে চান সাধারণ মানুষ। খুলনার প্রতিটি আসনেই এবার নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হবেন।

এদিকে বিএনপি তৃণমূল নেতাদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে মামলা-হামলায় নির্বাচনী মাঠে কোণঠাসা করা হয়েছে বিএনপিকে। গতকাল দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, খুলনায় পাঁচটি গায়েবি মামলায় এক থেকে দেড় মাসের মাথায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। লবণচরা থানার মামলায় হাজিরা না দেওয়ায় ওয়ার্ড সভাপতিসহ নেতা-কর্মীদের নামে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে। ওই রাতেই পুলিশ তাদের বাড়িতেও হানা দিয়েছে। তিনি অবিলম্বে সব গায়েবি মামলার কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান। এদিকে খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুরে আওয়ামী লীগ কর্মীরা খালিশপুর আরাবিয়া মসজিদের সামনে তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে বিএনপি কর্মী মো. মিলন, রবিউল ইসলাম খান, হাসান মাহমুদ রুবেলসহ কয়েকজন আহত হন।

print

LEAVE A REPLY